ওজন না কমার তিনটি কারণ

 



স্থূলতা বা ওজন বৃদ্ধি ইদানিং বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ওজন বৃদ্ধির ফলে অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরেন। নানা জনের কাছে কটু কথা শুনতে হয় তেমনি নিজের কাছেও ভালো লাগেনা। অথচ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনিচ্ছা বশত ওজন বৃদ্ধি পেয়ে যায়। নিজের শরীরকে ফিট, সুন্দর করতে ঘাম ঝরানো পরিশ্রম, জিমে গিয়ে প্রাক্টিস, ডায়েট ইত্যাদি করবার পরেও আশানুরূপ ফলাফল আসেনা। 

সত্যি বলতে এতশত কঠিন নিয়ম মেনে চলতে যেয়ে আমরা নিজেদের অজান্তেই কিছু অনিয়ম করে ফেলি যার ফলে নিজের অজান্তেই ওজন কমানোর বদলে আরও বৃদ্ধি পেয়ে যায়। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে খাওয়া-দাওয়ার বিষয়টি ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষত দিনের প্রথম খাবারের উপর নির্ভর করছে কত দ্রুত আপনার ওজন কমাতে পারবেন। আর সাধারণত এখানেই বেশিরভাগ সময় আমরা ভুল করে থাকি। 

তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ভুলগুলো আমাদের এড়িয়ে চলতে হবে-


১.সকালে সময়মত নাস্তা না করা


কর্মব্যস্ত জীবনে সকালের শুরুটাই হয়ে যায় তাড়াহুড়োর মধ্য দিয়ে। বাড়ির নানান কাজ, সন্তানের স্কুল, অফিস যাওয়ার ব্যাস্ততা - এসকল কিছু মিলিয়ে সকালে দম ফেলার ফুসরত পাওয়া দুরুহ হয়ে যায়। সে সময়ে নাস্তা করার ভেবে অলসতা চলে আসে। যার ফলে অনেকেই না খেয়ে বেরিয়ে পরি। তবে, ওজন কমাতে চাইলে আজকে থেকেই এই অভ্যাস বদলাতে হবে। ওজন কমাতে চাইলে সকালে পেট ভরে নাস্তা করা জরুরি। সকালে নাস্তা না করা হলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পরে, যার ফলে পেটের ক্ষুধা কমানোর জন্য অতিরিক্ত খাবার খেয়ে ফেলা হয়ে যায়। যা ওজন আরও বাড়িয়ে দেয়। 


২.দেরি করে খাওয়া


মনে করেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই অফিসে দেরী হয়ে যাবে ভেবে বসের ভয়ে অফিসে দৌড় দিলেন। তাড়াতাড়ি অফিসে যেতেই হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এমন সময় নাস্তা না করেই চলে যেতে হয়। দেখা যায় সমস্ত সকাল কাজের চাপে না খেয়ে কাটিয়ে দিয়ে যখন শরীর ও পেট একদমই চলছেনা সে সময় কিছু একটা খেয়ে নেয়া হলো। এতে হয়তো খিদে মিটবে কিন্তু ওজন কমার বদলে আরও বেড়ে যাবে।


৩.প্রোটিন ঠিকমতন না খাওয়া


ওজন কমানোর জন্য পরীক্ষিত আরেকটি উপায় হলো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়া। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারলে খুবই ভালো। দিনের শুরুটা যদি বেশি প্রোটিনযুক্ত খাবার দিয়ে শুরু হয় তাহলে ওজন বেড়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।

ওজন বৃদ্ধি না পাওয়ার বা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে জীবন যাপনের এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে সহজেই ওজনের অভিশাপ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সুস্থ সুন্দর স্লিম জীবন যাপন করতে এরূপ দৈনন্দিন লাইফস্টাইল অত্যাবশ্যকীয়। 





Post a Comment

0 Comments