আনারসের উপকারীতা

 



ফল বাঙালিদের পছন্দের খাদ্য । ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে যাওয়া নানবিধ ফলের সমাহার ঘটে এদেশে । ছয় ঋতুর এ দেশে গ্রীষ্মকালীন ফল বেশ জনপ্রিয় । মিষ্টি, রসালো এ ফলের রয়েছে নানবিধ পুষ্টি । আনারসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে ভরপুর মাত্রায় । গ্রীষ্মকালীন এ ফলের নানা উপকারী দিক আমাদের অজানা । আজকের এই আর্টিক্যালে আনারসের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিবো । 


হজম শক্তি বৃদ্ধি 

আনারসকে ফাইবারের একটি বড় উৎস হিসেবে ধরা হয় । কেননা এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা আমাদের অন্ত্রের স্বাস্থ্যর জন্য উপকারী । এতে থাকা এনজাইমগুলি ব্রোমেলেন নামে পরিচিত । এসকল এনজাইম আমাদের হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে । 


ক্ষত নিরাময়ক

দীর্ঘদিনের গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ব্রোমেলিনে প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে । আমাদের ত্বকে আঘাতের ফলে যে ক্ষতি হয় তা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে আনারসে থাকা ব্রোমেলিন । এমনকি ত্বকের ফোলাভাব কমাতে এর ভূমিকাও রয়েছে ।


ইমিউনিটি সিস্টেম বৃদ্ধি করে

আনারস বহু শতাব্দী ধরে ঔষধি গুণাগুণ বিবেচনায় রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে । এতে থাকা ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় দিয়ে আমাদের দেহের ইমিউনিটি সিস্টেম ঠিক রাখে ।


আর্থারাইটিস দূর করে

ব্রোমেলেন এনজাইমগুলোর ফলে আমাদের শরীরের ব্যথা এবং ফোলা নিরাময়ে সহায়তা করে । আর্থারাইটি নির্মূলে যা বেশ উপকারি । আনারসে থাকা অ্যান্টি-ফ্ল্যামেটরি শরীরে ব্যথা কমাতে কাজে আসে ।


ক্যান্সার প্রতিরোধকারী

জনপ্রিয় হেলথলাইন ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুসারে, আনারসের যৌগগুলি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় । এতে আমাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে থাকে ।


বি:দ্র: আনারস খেলে অনেকের অ্যালার্জি হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয় । তাই আনারস খাওয়ার পরে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুসারে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ ।



Post a Comment

0 Comments